সিরিয়ার বিমান প্রতিরক্ষাকে শক্তিশালী করছে রাশিয়া
শুক্রবার ২৮ জুলাই ২০১৭   |  ১৩ শ্রাবণ ১৪২৪   |   ৩ জিলকদ্দ, ১৪৩৮
{{theTime}}
নিউজ রিপোর্টারঃ অথার নাম

সিরিয়ার এক বিমান ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর রাশিয়া এর বিরুদ্ধে ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

রাশিয়া বলেছে, এই হামলার পর সিরিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, এ সপ্তাহের শুরুতে সিরিয়ায় এক রাসায়নিক হামলার জবাব হিসেবেই তারা এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।

যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলার ব্যাপারে বিশ্বজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

প্রেসিডেন্ট পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভের ভাষায়, রুশ-মার্কিন সম্পর্কে মারাত্মক আঘাত হেনেছে ওয়াশিংটন।

অন্যদিকে, রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ এই হামলাকে ইরাক যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এরকম হামলার কোন যৌক্তিকতা তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি বলেন, এটি কল্পিত অজুহাতে সার্বভৌম একটি দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন ছাড়া আর কিছু নয়।

দুহাজার তিন সালে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং তাদের মিত্ররা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া যেভাবে ইরাকে আগ্রাসন চালিয়েছিল, তার সঙ্গে এবারের ঘটনার সবকিছুই মিলে যায়।

এটা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সিরিয়ার হমস প্রদেশের একটি বিমান ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্র এই হামলা চালায় সিরিয়ার স্থানীয় সময় রাত পৌনে দু'টার দিকে।

ভূমধ্যসাগরে অবস্থানরত দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ থেকে প্রায় অর্ধশতাধিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয় বিমান ঘাটি, গুদাম, অ্যামুনিশন বাংকার এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে টার্গেট করে।

তবে এই হামলার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাশিয়া।

একজন রুশ সামরিক মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যে সব ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছিল, তার মাত্র ২৩টি বিমান ঘাঁটিতে গিয়ে পড়েছিল।

বাকিগুলো কোথায় আঘাত হেনেছে তা এখনো জানা যায়নি।

তারা আরও বলছে, এরকম হামলার জন্য যে বিরাট পূর্ব প্রস্তুতি দরকার, তা যে সিরিয়ার সাম্প্রতিক রাসায়নিক হামলার বহু আগে থেকেই নেয়া সেটা স্পষ্ট।

এই হামলাকে তারা একটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করেছে মাত্র।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র তার জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই এই ব্যবস্থা নিয়েছে।

তবে এই মার্কিন হামলার ব্যাপারে বিশ্বব্যাপী মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

ব্রিটেন, তুরস্ক, জাপান, সৌদি আরব এবং অস্ট্রেলিয়া মার্কিন হামলার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে।

কিন্তু ফ্রান্স এবং জার্মানির প্রতিক্রিয়া ছিল সতর্ক। তারা সিরিয়ার সংকটের শান্তিপূর্ণ এবং রাজনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়েছে।

পরিস্থিতির যেন আরও অবনতি না ঘটে চীন সেজন্যে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে।-বিবিসি বাংলা 

আর্কাইভ

July 2017

SunMonTueWedThuFriSat
1

2

3

4

5

6

7

8

9

10

11

12

13

14

15

16

17

18

19

20

21

22

23

24

25

26

27

28

29

30

31

Create Account



Log In Your Account



সদ্য সংবাদ